সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৩

গৌরীপুরে ষাঁড়ের লড়াইয়ের নামে চলছে কোটি কোটি টাকার বাজি খেলা নামক জুয়া

কমল সরকার,গৌরীপুর ।।
ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলায় ষাঁড়ের লড়াইয়ের নামে চলছে কোটি টাকার জুয়া নামক বাজি খেলা। এতে সর্বশান্ত হচ্ছে এলাকার মানুষ। পুলিশী সহযোগিতায় স্থানীয় কিছু চিহ্নিত জুয়ারী, ইউপি চেয়ারম্যান ও ক্ষমতাসীন দলের  প্রভাবশালীরা প্রকাশ্যে নিষিদ্ধ ষাড়ের লড়াই চালিয়ে লুঠে নিচ্ছেন কোটি কোটি টাকা।এ ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন  রহস্যজনকভাবে নিরব ভূমিকা পালন করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৪ ই ডিসেম্বর শনিবার উপজেলার মাওহা ইউনিয়নের নহাটা গ্রামে ষাঁড়ের লড়াইয়ের নামে অনুষ্ঠিত হয়েছে  বাজি খেলার জমজমাট জুয়ার আসর। এ ব্যাপারে  স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবহিত করার পরও  কন্ধ হয়নি বাজি খেলার জুয়া। উল্টো প্রতিবাদ করতে গিয়ে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছে মাওহা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য তারা মিয়া (৩২)। ্এ ঘটনায় পুলিশের প্রতি এলাকাবাসী ক্ষুব্দ মনোভাব পোষন করছেন।
এ লড়াই শেষ হবার পর আবারো স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও সরকার দলীয় লোকজনের তত্বাবধানে আগামী ১৯ ডিসেম্বর উপজেলার মাওহা ইউনিয়নের বীর আহাম্মদপুর ও ২০ ডিসেম্বর উপজেলার সহনাটি ইউনিয়নের সোনাকান্দি গ্রামে ষাঁড়ের লড়াইয়ের নামে জমজমাট বাজি নামক  জুয়ার আসরের প্রস্তুতি চলছে।
নিরীহ স্থানীয় গ্রামবাসীদের অভিযোগ, পুলিশ, স্থানীয় প্রশাসন ও প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক্স মিডিয়াকে ম্যানেজ করে এলাকার কিছু চি‎িহ্নত জুয়ারী, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও সরকারদলীয় লোকজনের যোগসাজসে ষাঁড়ের লড়াইয়ের নামে কোটি কোটি টাকার জুয়ার বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন। এলাকাবাসী  প্রানের ভয়ে এদের  বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না।
এ ব্যপারে মাওহা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ কালন জানান, ষাঁড়ের লড়াইয়ের নামে যে  জুয়া খেলা হয় এর সাথে নিজে বা তার পরিষদের কোনো সদস্য জড়িত নয়। তিনি বলেন উপরন্ত তার এক ইউপি সদস্য তারা মিয়া (৩২) এ ষাড়ের লড়াই নামক জুয়া খেলার  বিরোধিতা করায় আসল জুয়ারীরা পুলিশ  দিয়ে তাকে গ্রেফতার করিয়েছে।
ইউপি  সদস্যকে গ্রেপ্তারের ব্যপারে জানতে চাইলে গৌরীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হামিদুল ইসলাম জানান, জুয়া খেলা বন্ধে প্রতিবাদ করার জন্য নয়, তাকে অন্য অভিযোগে আটক করার পর আবার ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। গৌরীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন জানান, পুলিশ প্রশাসনের অসহোযোগিতার কারনে তিনি ষাড়ের লড়াইয়ের নামে জুয়া বন্ধে কোন পদক্ষেপ নিতে পারছেন না।

শনিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১৩

গৌরীপুরে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ

কমল সরকার,গৌরীপুর।।
অসাংবিধানিক ভাবে নির্বাচনকালীন সর্বদলীয় সরকার গঠন ও নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্টার দাবীতে (৭ ডিসেম্বর) শনিবার বিকালে বিএনপিসহ অংগসহযোগী সংগঠনের উদ্দ্যোগে ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কে অবরোধ সমর্থনে বিক্ষোভ মিছিল করে মহাসড়কে অবরোধ কর্মসূচী পালন করে। এ সময় উল্লেখিত মহাসড়কে প্রায় ৩ ঘন্টা সকল যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল। অবরোধ সমর্থনে বিক্ষোভ মিছিলে নেতৃত্ব দেন জেলা জাতীয়তাবাদী আইন জীবি ফোরামের সাধারন সম্পাদক এড.নুরুল হক। তার সাথে ছিল (দঃ) জেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম সাধারন সম্পাদক শেখ ইউছুফ লিটন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা শফিকুল ইসলাম রতন, ইউনিয়ন বিএনপি নেতা লাল মিয়া মেম্বার, মতিউর রহমান স্বাধীন, জাতীয়তাবাদী বিভিন্ন সংগঠনের নেতা সগির আহাম্মেদ, শহিদুল্লাহ আকন্দ, করিম, জুয়েল, হেলাল, পলাশ, আল-আমিন, ইমন, আনিছুর রহমান, তারেক, ফারুক, মিজান, রুবেল প্রমুখ।

৮ ডিসেম্বর গৌরীপুুর হানাদার মুক্ত দিবস

  1. কমল সরকার, গৌরীপুর ।।
  2. ৮ ডিসেম্বর ময়মনসিংহের গৌরীপুুর মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাক হানাদার বাহিনী রাঁতের আধারে গৌরীপুর ছেড়ে চলে যাওয়ার পর পুলিশ ফাঁড়ির ক‘জন পুলিশ ও রাজাকাররা মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে আত্মসমর্পন করলে শত্রু মুক্ত হয় গৌরীপুর।
  3. ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের পর এপ্রিলের প্রথম দিকে গৌরীপুরে শুরু হয় পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম পর্যায়ের সংগ্রাম। তৎকালীন আওয়ামী লীগ নেতা ও এম সি এ মরহুম হাতেম আলীর বাস ভবনে আলোচনা শেষে গৌরীপুর মহাবিদ্যালয়ের তৎকালীন অধ্যাপক সৈয়দ আলী হাসানের তত্ত্বাবধানে কলেজ মাঠে ১৭টি রাইফেল দিয়ে শুরু হয় প্রশিন। তাদেরকে সহযোগিতা করেন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক মমতাজ উদ্দিন ও আরো একজন অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক। ১৯৭১ সালের ২৩ এপ্রিল কিশোরগঞ্জ থেকে রেল পথে পাক হানাদার বাহিনী গৌরীপুরে প্রবেশ করেই শুরু করে হত্যা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ। ওইদিন সকাল থেকেই পাকিস্থানী জঈী বিমান গৌরীপুরের আকাশে টহল দিয়ে থেমে থেমে আকাশ থেকে এলোপাথারী মেশিন গান দিয়ে রেল ষ্টেশন, কলেজসহ কয়েকটি স্থানে গুলি বর্ষন করছিল। হানাদার বাহিনী গৌরীপুর শহরে প্রবেশ করেই কালীপুর মোড়ে গুলি করে হত্যা করে স্কুল শিক ব্রজেন বিশ্বাসকে।  গৌরীপুরে ব্রজেন বিশ্বাস হানাদার বাহিনীর হাতে প্রথম শহীদ হলেও শহীদদের তালিকায় তার নাম উঠেনি বা শহীদ পরিবার হিসাবে তার পরিবার আজো কোন সহযোগিতা পায়নি। পাক হানাদার বাহিনী গৌরীপুর দখলের পর মুক্তিযোদ্ধারা পিছু হটে একে একে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের শিব বাড়ীতে আশ্রয় নেয় এবং প্রািশক্ষন নিতে শুরু করে। এদিকে গৌরীপুরে পাক হানাদার বাহিনী সাধারন মানুষের উপর চালায় নির্মম অত্যাচার। ১৬ মে সকালে পাক হানাদার বাহিনী শালীহর গ্রাম থেকে ধরে নিয়ে যায় বিশিষ্ট্য ক্রীড়া সংগঠক মধু সুদন ধরকে এবং শহর থেকে ধরে নিয়ে যায় বিশিষ্ট ব্যবসায়ী কৃষ্ণ সাহাকে। তারা বেঁেচ আছে না মরে গেছে আজো কেউ জানতে পারেনি। আগষ্ট মাসে গৌরীপুরে অবস্থানরত পাক বাহিনীর উপর হামলা শুরু করে প্রশিন প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধারা। দেশ মাতৃকাকে মুক্ত করতে তারা বিস্ফোরক দিয়ে উড়িয়ে দেয় পাক বাহিনী ও তাদের দোসরদের যোগাযেগের মাধ্যম টেলিফোন এক্সচেঞ্জ ও রেল সেতু । অগ্নি সংযোগ করে ধ্বংস করে রেল ষ্টেশন ও পাট গুদাম। মুক্তিযোদ্ধাদের চোরাগোপ্তা হামলায় পাক বাহিনী প্তি হয়ে উঠে এবং শালীহর গ্রামে প্রবেশ করে শুরু করে গনহত্যা । সেখানে  নির্দোষ ১৩ গ্রামবাসীকে গুলি করে হত্যা করে এবং ধরে নিয়ে যায় মরহুম মুক্তিযোদ্ধা আবুল হাসেমের পিতা ছাবেদ হোসেনকে। পরে তার আর খোঁজ মিলেনি। মুক্তিযুদ্ধের শেষের দিকে ৩০ নভেম্বর পলাশ কান্দায় পাকহনাদার বাহিনীর সাথে সম্মুক যুদ্ধে শহীদ হন সিরাজ, জসিম, মঞ্জু ও মতি এই চারজন মুক্তিযোদ্ধা। শ্যমগঞ্জে শহীদ হয় সুধী বড়–য়া। অবশেষে ডিসেম্বরের প্রথম দিকে গৌরীপুর শহর ছাড়া সমস্ত এলাকা মুক্তিযোদ্ধাদের দখলে চলে যায়। মুক্তিযোদ্ধাদের হামলায় পাক হানাদার বাহিনী ৭ ডিসেম্বর রাতে রেল যোগে গৌরীপুর থেকে পালিয়ে যায়। মুক্তিযোদ্ধা কোম্পানী কমান্ডার মরহুম রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে আবুল কালাম আজাদ,আঃ হেকীম, মরহুম নজরুল ইসলাম, সোহরাব, ছোট ফজলূ, আনসার, কনুসহ একদল মুক্তিযোদ্ধা ৭ ডিসেম্বর গৌরীপুর থানায় অবস্থানরত পুলিশ ও রাজাকারকে আত্মসমর্পনে বাধ্য করে। ৮ ডিসেম্বর শত্রু মুক্ত হয় গৌরীপুর।

শুক্রবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৩

গৌরীপুর বিএনপি‘র পৃথক গায়েবানা জানাযা অনুষ্টিত


কমল সরকার,গৌরীপুর ।।
১৮ দলের ডাকা অবরোধ কর্মসূচীর পালন কালে আ‘লীগের সন্ত্রাসী হামলা ও পুলিশের গুলিতে নিহত নেতা কর্মী ও সাধারন মানুয়ের আতœার মাগফেরাত কামনায় (৬ ডিসেম্বর) শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর বিএনপি ও তার অংগসহযোগী সংগঠনের উদ্দ্যোগে গায়েবানা জানাযা অনুষ্টিত হয়েছে। জুম্মা বাদ জান্নাতুল বাকি গুরুস্থান মসজিদ প্রাঙ্গনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী সাবেক সাংসদ এএফএম নজমূল হুদার সমর্থনকারী একটি গ্রুপ গায়েবানা জানাযায় অংশ গ্রহন করে। উক্ত জানাযায় ঈমামতি করেন ৭নং ওয়ার্ড বিএনপি‘র সভাপতি রমজান আলী। এতে উপজেলা বিএনপি‘র যুগ্ম আহবায়ক কোয়াছম উদ্দিন, আহাম্মদ তায়েবুর রহমান হীরন, (মপই) সাবেক ভিপি মকবুল হোসেন বকুল, পৌর যুবদলের আহবায়ক ও সাবেক কাউন্সিলর সুজিত কুমার দাস, যুগ্ম আহবায়ক ও পৌর কাউন্সিলর মরিরুজ্জামান পলাশ, উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মোঃ শহিদুল্লাহ, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক হুমায়ুন কবির, ছাত্রনেতা জাহাঙ্গির হোসেন পাপ্পু, শহিদুল ইসলাম মিল্টন, সুমন, যুবদল ও ছাত্রদলের নেত্রীবৃন্দসহ শত শত মুসুল্লি অংশ নেয়।
অপর দিকে মাছূয়া কান্দা মসজিদে নামেরা প্রাঙ্গনে (উঃ) জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহফুজুর রহমান, পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি মোমেন খান কামাল, আনোয়ারুল হুদা, যুবনেতা বিশ্বজিৎ ঘোষ, শফিকুল ইসলাম ভূট্টো, রহমত উল্লাহ, আরজু, সোহেল, (উঃ) জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা প্রভাষক আঃ মিদ্দিক, শফিকুল ইসলাম রতন, উপজেলা ছাত্রদলের নেতা শাহ ওবায়দুল্লা সুমন, বাসার আকন্দ, মোমেন, সাকিব, সুজন, জাহাঙ্গীর, পৌর ছাত্রদলের নেতা তাজিজুল ইসলাম রাঙ্গা, নুর মোহাম্মদ মামুন, রাহাত, কলেজ ছাত্রদল নেতা ইকবাল হাসান ্িবকসান, ওয়ালীউল্লাহ, প্রমুখ। পরে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি  আব্দুল কাদের জুয়েলকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে শাহ ওবায়দুল্লাহ সুমন ও তাজিজুল ইসলাম রাঙ্গার নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করলে পুলিশ তা ছত্রভঙ্গ করে দেয়


গৌরীপুর স্বেচ্ছাসেবক দলের লাঠি মিছিল
সরকারের ঘোষিত তফসিল বাতিল,তত্বাবধায়ক সরকার পুনবহাল ও স্বেচ্ছা সেবক দলের সাধারন সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু ও সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল বারী বাবুসহ সকল নেতা কর্মীদের মুক্তির দাবীতে (৬ ডিসেম্বর) শুক্রবার বিকালে ময়মনসিংহের গৌরপুরে (উঃ) জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম  বাবুলের নেতৃত্বে একটি লাাঠি মিছিল শহর প্রদক্ষিন করে পাট বাজার বিএনপি কার্যালয়ে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে।
উক্ত প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপি‘র যুগ্ম আহবায়ক আহাম্মেদ তায়েবুর রহমান হীরন, রামগোপালপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন আকন্দ, পৌর যুবদলের আহবায়ক সুজিত কুমার দাস, যুগ্ম আহবায়ক মনিরুজ্জামান পলাশ, উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মোঃ শহিদুল্লাহ,ছাত্রনেতা শহিদুল ইসলাম মিল্টন, স্বেচ্ছা সেবক দল নেতা শাহীন,তুষার, রিপন ও নয়ন প্রমুখ।

গৌরীপুর প্রেসকাবের সাবেক আহবায়ক আব্দুর রহমানের ১ম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত

কমল সরকার,গৌরীপুর।।
ময়মনসিংহের গৌরীপুর প্রেসকাবের সাবেক আহবায়ক বিশিষ্ট সাংবাদিক বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আব্দুর রহমানের ১ম মৃত্যু বার্ষিকী (৬ ডিসেম্বর) শুক্রবার বিভিন্ন অনুষ্ঠান মালার মধ্য দিয়ে পালন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে গৌরীপুর প্রেসকাবের উদ্যোগে মরহুম সাংবাদিকের কবর জিয়ারত, বাদ জুম্মা বড় মসজিদে বিশেষ দোয়া ও সন্ধ্যায় প্রেসকাব ভবনে এক স্বরন সভার আযোজন করা হয়। প্রেসকাব সভাপতি শফিকুল ইসলাম মিন্টুর সভাপতিত্বে স্বরন সভায় বক্তব্য রাখেন প্রেসকাবের সাবেক সভাপতি এড জসিম উদ্দিন আহম্মেদ, কমল সরকার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন জুয়েল, আলী হায়দার রবিন, কোষাধ্যক্ষ শামিম খান, সাংবাদিক সাজ্জতুল ইসলাম, মরহুম পুত্র মশিউর রহমান কাউসার, সাংবাদিক  শেখ বিপ্লব প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন প্রেসকাব সাধারণ সম্পাদক এইচ এম খায়রুল বাশার। এ ছাড়া মরহুমের একমাত্র ছেলে আমাদের সময়ের উপজেলা প্রতিনিধি মশিউর রহমান কাউসার পারিবারিকভাবে সাংবাদিক পিতার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে মিলাদ, দোয়া মাহফিল শেষে দরিদ্র ও সাধারণ ভোজের আয়োজন করে ।

সোমবার, ২ ডিসেম্বর, ২০১৩

গৌরীপুরে দলীয় প্রার্থীসহ ৭ প্রার্থীর মনোনয়ন জমা

কমল সরকার,গৌরীপুর ।।
আগামী দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৩ গৌরীপুর নির্বাচনী আসনে মনোনয়ন পত্র জমাদানের শেষ দিন সোমবার ৭ প্রার্থী উৎসব মুখর পরিবেশে রির্টানিং অফিসারের কাছে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন। জানা গেছে, আ’লীগের দলীয় প্রার্থী সাবেক প্রতিমন্ত্রী ডাঃ ক্যাপ্টেন (অবঃ) মজিবুর রহমান ফকির এমপি, আওযামী লীগের মনোনয়ন বঞ্চিত উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক আলী আহাম্মদ খান পাঠান সেলভি, জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য ফকরুল ইমাম, ন্যাশান্যাল আওযামী পার্টি জেলা (ন্যাপ মোজাফর) আহবায়ক আব্দুল মতিন মাষ্টার, এডঃ মোহাম্মদ মোজ্জামেল হোসেন, আ’লীগের মনোনয়ন বঞ্চিত ব্যাংকার ফেরদৌস আলমের স্ত্রী নাজনীন আলম, ও জেলার সাবেক ছাত্রলীগ নেতা শরীফ হাসান অনু স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে উপজেলা রির্টানিং অফিসার  ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাছির উদ্দিনের কাছে মনোনয়ন পত্র জমা দেন।

গৌরীপুরে মনোনয়ন বাতিলের দাবীতে মানববন্ধন ।।পাশাপাশি দলীয় প্রার্থীর মটর সাইকেল শোডাউন

কমল সরকার,গৌরীপুর ।।
ময়মনসিংহ-৩ গৌরীপুর আসনে সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডাঃ ক্যাপ্টেন (অবঃ) মজিবুর রহমান ফকির এমপি’র মনোনয়ন বাতিলের দাবীতে (২ ডিসেম্বর) সোববার সকালে আ’লীগ দলীয় কার্যালয়ের সামনে  মনোনয়ন বঞ্চিতরা যখন মানব বন্ধন কর্মসূচী পালন করছিল-ঠিক সেই মুহুর্তে একইপথ দিয়ে চলছিল দলীয় প্রার্থী সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডাঃ ক্যাপ্টেন (অবঃ) মজিবুর রহমান ফকির এমপি’র বিশাল মটর সাইকেল শোডাউন। এ সময় অজানা আশংকায় শহরের সাধারণ মানুষ ছিল ভীতসন্ত্রস্থ। যদিও কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই মনোনয়ন বঞ্চিতদের মানববন্ধন কর্মসূচী ও প্রার্থীর শোডাউন সফল সমাপ্তি ঘটে। ময়মনসিংহ-৩ নির্বাচনী আসনে সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডাঃ ক্যাপ্টেন (অবঃ) মজিবুর রহমান ফকির এমপিকে মনোনয়ন দেয়ায় মনোনয়ন বঞ্চিতরা তার মনোনয়ন বাতিলের দাবীতে (৩০ নভেম্বর) বিকালে উপজেলা আওয়ামীলীগের কার্যালয়ের সামনে এক প্রতিবাদ সমাবেশসহ নানাবিধ কর্মসূচী গ্রহন করে। একই দাবীতে সোমবার সকালে দলীয় কার্যালয়ের সামনে তারা মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছে। এতে সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডাঃ ক্যাপ্টেন (অবঃ) মজিবুর রহমান ফকির এমপি’র মনোনয়ন বাতিলের দাবী জানিয়ে বক্তব্য রাখেন ময়মনসিংহ জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও মনোনয়ন প্রত্যাশী নাজিম উদ্দিন,উপজেলা আ‘লীগের সাধারন সম্পাদক বিধূ ভূষন দাস, মনোনয়ন প্রত্যাশী কৃষিবিদ সামিউল আলম লিটন, উপজেলা আ”লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ,উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ইকরাম হোসেন খান মামুন, সাধারন সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন খান, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সাদেকুর রহমান সেলিম, জেলা যুবলীগ নেতা কামাল হোসেন প্রমুখ। মানব বন্ধনে বক্তারা এ আসনটি আওয়ামী লীগের দখলে রাখতে হলে সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডাঃ ক্যাপ্টেন (অবঃ) মজিবুর রহমান ফকির এমপি’র মনোনয়ন বাতিলের জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনার সু-দৃষ্টি কামনা  করেন। এদিকে দলীয় কার্যালয়ের সামনে মনোনয়ন বঞ্চিতদের মানব বন্ধন কর্মসূচী থাকায় সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডাঃ ক্যাপ্টেন (অবঃ) মজিবুর রহমান ফকির এমপি সংঘাত এড়াতে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা কার্যালয়ের সামনে দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্যে রেখে আনুষ্ঠানিকভাবে সোমবার দুপুর দেড়টায় রির্টানিং অফিসার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাছির উদ্দিনের কাছে তার মনোনয়ন পত্র জমা দেন। এ সময় তার সংগে ছিলেন উপজেলা আ’লীগের সিনিয়র সহসভাপতি ডাঃ হেলাল উদ্দিন, অধ্যক্ষ রুহুল আমিন, পৌর মেয়র সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, উপজেলা আ’লীগের যুগ্ম  সাধারণ সম্পাদক ম,নুরুল ইসলাম,ইকবাল হোসেন জুয়েল,পৌর আ’লীগের সাধারন সম্পাদক রওশন সারোয়ার সজিরসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন সমুহের বিভিন্ন পর্যায়ের দলীয় নেতা-কর্মীবৃন্দ।