বুধবার, ১৫ অক্টোবর, ২০১৪

গৌরীপুরে গোপন বৈঠক কালে ছাত্র শিবিরের ১৮ নেতা কর্মী গ্রেফতার

কমল সরকার,গৌরীপুর ঃ
ময়মনসিংহের গৌরীপুর থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে (১৫ অক্টোবর) বিকালে একটি ঘরে গোপন বৈঠক চলাকালে ১৮ শিবির নেতা কর্মীকে গ্রেফতার করেছে। এ সময় পুলিশওই ঘর থেকে কিশোর কন্ঠ-শিশু মনে কার্টুনের প্রভাব নামক জেহাদী বইসহ, ছুরি ক্রয়,বিভিন্ন স্থানে যাতায়াতের বিল বাউসার উদ্ধার করে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ছাত্র শিবিরের নেতা কর্মীরা উপজেলার ডৌহাখলা ইউনিয়নের তাতকুড়া বাজারের পাশে  সত্যেন্দ্র চন্দ্রের বাড়ীর হাফ বিল্ডিং ঘরে বসে গোপন বৈঠক করছিল। এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওই ঘর থেকে উপজেলার ইউছুফাবাদ গ্রামের আঃ আলীর ছেলে উপজেলা ছাত্র শিবিরের সভাপতি বেলাল হোসাইন (৩৪), নওগা গ্রামের ফয়জুর রহমানের ছেলে উপজেলা ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম (২০) আঃ সিদ্দিকের ছিলে শিবির নেতা মতিউর রহমান (১৭), ,হায়দারের ছেলে মোফাজ্জল হোসেন (১৫),ফজলুর রহমানের ছেলে শফিকুল ইসলাম (২২), ,দামগাও গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে সুজন মাহামুদ (১৫),নন্দীগ্রামের আবুল হাশেমের ছেলে হৃদয় (১৮),মহিষরন গ্রামের সুরুজ আলীর ছেলে আল-আমিন (২৫),শালীহর গ্রামের হারুন-উর-রশিদের ছেলে রাকিবুল ইসলাম (১৭),তাতকুড়া গ্রামের মৃত আবুল হাশেমের ছেলে আবুবক্কর সিদ্দিক (১৮),গুজিখা গ্রামের মুখলেছুর রহমানের ছেলে মোঃ পলাশ (১৭) ও তারাকান্দা উপজেলার বিষকা গ্রামের মোঃ আঃ হাই এর ছেলে শফিকুল ইসলাম সাইফুল (১৯)সহ ১৮ জনেকে আটক করে। এ রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত  আটককৃতদের পুলিশী  জিঞ্জাসাবাদ চলছিল। পুলিশের ধারনা আটককৃত শিবির নেতা-কর্মীরা সেখানে কোন নাশকতামুলক কর্মকান্ড পরিচালনা করার গোপন বৈঠক করছিল ।

শনিবার, ৪ অক্টোবর, ২০১৪

গৌরীপুরে আনন্দ বেদনার মধ্য দিয়ে দুর্গা দেবীর বিসর্জন



কমল সরকার,গৌরীপুর ।।
ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলায় ৪৭টি স্থায়ী-অস্থায়ী পূজা মন্ডপে হিন্দু সম্প্রদায়ের সর্ব বৃহৎ ধর্মীয় অনুষ্ঠান শারদীয় দুর্গোৎসব ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়ে দিন ব্যাপি যথাযোগ্য মর্যাদা, শান্তিপুর্ন সুষ্টভাবে উদযাপিত হয়েছে। শনিবার (০৪ অক্টোবর) বিকাল ৩ টার দিকে গৌরীপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী তৎকালীন জমিদারের প্রতিষ্ঠিত সরকারী রাজেন্দ্র কিশোর উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনের বিশাল অনন্ত সাগড় দীঘিতে পৌর সভার ১২টি মন্ডপের প্রতিমা বিসর্জন দেয়া হয়। বাদবাকী পুজা মন্ডপের প্রতিমা স্ব স্ব ইউনিয়নের নদী ও পুকুরে  বিসর্জন দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। গৌরীপুরে দুর্গাপূজা চলাকালে আইন শৃংখলা রক্ষায় ৩ শতাধিক আনসার-ভিডিপি সদস্য, গৌরীপুর সরকারী কলেজের বিএনসিসি টিম,  ভ্রাম্যমান পুলিশ টিম সার্বক্ষনিক এলাকায় টহল দিয়েছে। ফলে পুজানুষ্ঠানে শান্তি শৃংখলা বজায়সহ কোন প্রকার অপ্রিতীকর কোন ঘটনা ঘটেনি।  এ ছাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দুর-রে শাহওয়াজ শহরের পুজা মন্ডপগুলো একাধিকবার পরিদর্শন করে আইন শৃংখলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষপুজারীদের সমস্যা খোঁজ-খবর নিয়েছেন। পূজায় সরকারী সহযোগিতা হিসেবে প্রত্যেক পূজা মন্ডপের সভাপতির নামে আধা মেঃ টন চাল বিতরণ করা হয়। উল্লেখ্য এ বছর গৌরীপুর পৌর শহরে ১২টি পূজাসহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে সর্বমোট ৪৭টি পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে

রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

গৌরীপুরে পুরনো বাটকারা-কাঠ বাঁশের দাঁড়ি-পাল্লা’র যথেচ্ছা ব্যবহার ।। ওজন কারচুপিতে প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছে সাধারণ মানুষ

  •  
  • কমল সরকার,গৌরীপুর ।।
    ময়মনসিংহের গৌরীপুরে ওজন কারচুপিতে প্রতিনিয়ত  প্রতারনার শিকার হচ্ছে সাধারণ মানুষ। ধান-চাল থেকে শুরু করে শাক-সবজি মাছ-মাংস,ভোজ্যতৈল,দুধ,পেট্রোল,কেরোসিনসহ সকল প্রকার নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি বেচা-কেনায় পরিমাপে দেদারছে ওজন কারচুপি চলছে। জানা গেছে ওয়ান লেভেনের সময় সেনাবাহিনীর অভিযানে দোকান-পাঠের নানাবিধ দ্রব্যাদী পরিমাপের জন্য কাঠ-বাঁশ দিয়ে তৈরী করা দাঁড়ি পালস্না,তরল পদার্থ বিক্রির গ্যালন পট ও পুরনো বাটকারা ব্যবহারকারী ব্যবসায়ীদের জরিমানা করার পর ব্যবসায়ীরা ভয়ে সঠিক মাপের বাটকারা (পরিমাপক), লোহার নিক্তি পাল্লা  ও তরল পদার্থ বিক্রির লিটার পট ব্যবহার  শুরু করে। কিন্তু সেনাবাহিনীর অভিযানের কিছুদিন পর থেকেই আবার শুরু হয় ওজন পরিমাপের জন্য পুরনো বাটকারা, রেল লাইনের পাথর আর কাঠ-বাঁশের তৈরী দাঁড়ি পাল্লা  পুরনো পদ্ধতির গ্যালন পট ব্যবহার। পাশাপাশি চলে ওজনে কারচুপি করার প্রবনতা।  এক্ষেতে ডিজিটাল ওজন পরিমাপকের মাঝেও রয়েছে ওজন কারচুপির সুকৌশল ব্যবস্থা। উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে  ধানের আরতে ধান কেনা-বেচার এক্ষেতে দু’রকমের বাটকারা ব্যবহার হয়ে থাকে। বিক্রেতাদের অভিযোগে জানা গেছে কতিপয় অসাধু  ব্যবসায়ী ধান কেনার সময় নিজেদের তৈরী করা বেশী ওজনের বাটকারা ব্যবহার করে থাকেন। সেখানে ৫/১০ কেজি ওজনের বাটকারার খালি গর্তে  শিশা ভরাট  করে  সুক্ষভাবে ওজন বৃদ্ধি করা হয়। তাছাড়া (গোখাদ্য) ৩৭ কেজি খৈইল ভুসির বস্তা খুলে তা থেকে ৫/৬ কেজি ভুসি বা খৈইল রেখে দিয়ে নতুন করে সেলাই করা বস্তা ,ইউরিয়া ও নন ইউরিয়া ৫০ কেজির   সারের ইনটেক বস্তা থেকে (গোঙ্গা মেরে) বিশেষ পদ্ধতিতে  ৫/৬ কেজি সার রেখে দিয়ে একই দরে বিক্রি করার অভিযোগ রয়েছে।  যা বিক্রেতা সহজে ধরতে পারে না। সবজি মাছ-মাংসের বাজারে পুরনো আমলের বাটকারা  ও কাঠ-বাঁশের তৈরী দাঁড়ি পাল্লা দিয়ে পরিমাপ করায় ক্রেতা সাধারণ ওজন কারচুপির শিকার হচ্ছেন প্রতিনিয়ত। উপজেলার কোনাপাড়া গ্রামের শহর আলী  ২শ টাকা কেজি দরে আধাকেজি শুকনো মরিচ ক্রয় করার পর অন্যত্র এর ওজন করে দেখেন ১শ গ্রাম মরিচ কম রয়েছে। আড়াইশ টাকা কেজি দরের হলুদ গুড়া কিনে ৫০ গ্রাম ওজনে কম পেয়েছেন ভালুকার ছাবেদ আলী । এক সেনাবাহিনীর সদস্য সাড়ে ৪শ টাকা দরের ২ কেজি খাসির মাংস কিনে ওজনে কম পেয়েছেন সাড়ে ৩শ গ্রাম। ভুসির ইনটেক বস্তা কিনে ওজনে প্রতারিত হয়েছেন মাছুয়া কান্দা গ্রামের দুধ ব্যবসায়ী আব্দুল জলিল। প্রতিনিয়িত এমনি ভাবে সকল প্রকার তৈজস পত্র থেকে শুরু করে কাঁচা বাজারে পেয়াজ আলু, মাছ শাকসবজি কিনে কেজিতে ১শ ২শ গ্রাম  থেকে ৪শ গ্রাম পর্যন্ত কম পাচ্ছে সাধারণ ক্রেতা। এক্ষেতে অভিনব কায়দায় ওজন কারচুপি,পুরনো বাটকারা আর কাঠ-বাঁশের দাঁড়ি পালস্নার ব্যবহার রোধে বাজারে কোন তদারকি বা অভিযান না থাকায় এলাকার হাট বাজারে পুরনো বাটকারা ব্যবহার ও ওজন কারচুপির বিষয়টি দিন দিন ব্যপকহারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এদিকে অভিযোগ পাওয়া গেছে ডিজিটাল ওজন পরিমাপক মেশিনে মাইনাস বাটন  টিপে  নাকি দই,মিষ্টি থেকে দামী বিভিন্ন খাবার সামগ্রী বিক্রিতে ওজনে কারচুপি করে থাকেন কিছু কিছু অসাধু ব্যবসায়ী।  তাই অনতিবিলম্বে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষনে বাজারে সঠিক ওজন পরিমাপক পরিবেশ সুষ্টি করতে সংশিস্নষ্ট বিভাগের একটি জোড়ালো আইনি অভিযান পরিচালনা করা অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।

গৌরীপুর রেলেওয়ের ২৮ শতক জমি বেদখল



কমল সরকার,গৌরীপুরঃ
প্রভাবশালীদের সহযোগীতায় নিজের ক্রয়কৃত জমির সাথে থাকা রেল বিভাগের  ২৮ শতক ভুমি জবরদখল করে নিয়েছেন স্থানীয় এক ভূমি খেকো । ঘটনাটি ঘটেছে ময়মনসিংহের গৌরীপুর রেলওয়ে জংশনের অদুরে ২নং গৌরীপুর ইউনিয়নের গাভীশিমুল গ্রামে।
জানা গেছে, গৌরীপুর রেলওয়ে জংশনের অদুরে জারিয়া-মোহনগঞ্জ রেল পথ ও ২ নং গৌরীপুর ইউনিয়ন পরিষদ ভবন সংলগ্ন গাভীশিমূল গ্রামের শাহার উদ্দিনের নিজস্ব ৪২ শতক জমি মইলাকান্দা ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের আঃ বারেকের নিকট বিক্রি করেন। উক্ত ভূমিটি ক্রয়ের পর ভূমি খেকো আঃ বারেক তার ৪২ শতক ক্রয়কৃত ভুমির সাথে থাকা রেল বিভাগের ২৮ শতক ভুমির চারপাশে স্থায়ী ভাবে সিমেন্টের পিলার দিয়ে প্রাচীর গড়ে তুলে জবর দখল  করে নিয়েছেন। রেলের সম্পত্তি দখলদার আঃ বারেকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রথমে জায়গাটি তার ক্রয়কৃত সম্পত্তি বলে দাবী করেন। পরে তিনি এক প্রশ্নে বলেছেন উলেস্নখিত পরিমান সম্পত্তি রেল কর্তৃপক্ষের  কাছ থেকে স্থায়ীভাবে বন্দোবস্থ গ্রহন করেছেন। ক্ষেত্রে দখলদার আব্দুল বারেক লিজ সংক্রান্ত কোন কাগজ পত্রাদী দেখাতে পারেননি। এ ব্যাপারে রেলের স্থানীয় আই ডব্লিউ কর্মকর্তা নুরুন্নীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেছেন জায়গাটির লীজ দেয়ার কোন রেকর্ড তার দপ্তরে নেই। অবৈধ দখলদারের প্রশ্নে তিনি বলেছেন উচ্ছেদের ব্যবস্থা নেয়া হবে।

গৌরীপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে শ্রী শ্রী রাধা অষ্টমী ব্রত উদযাপিত



সুপক উকিল’গৌরীপুরঃ
ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলায় পৌর শহরে শ্রী শ্রী রাধা রানীর জন্ম তিথী উপলক্ষে পুরহীত পাড়ার নরোত্তম সংঙ্গের উদ্দ্যোগে (০২ সেপ্টেম্বর) মঙ্গলবার রাধাব্রত, শ্রীমদ্ভাগবত পাঠ, হরি নাম সংকীর্তন ও মঙ্গলশোভা যাত্রার আযোজন করা হয়। এ উপলক্ষে ১ সেপ্টেম্বর (সোমবার) রাতে উপজেলার শ্রী শ্রী রাধা গোপিনাথ জিউর মন্দিরে শুভ অধিবাসের মধ্যদিয়ে শৃরু হয় শ্রীমদ্ভভাগবত পাঠ ও উদয়াস্থ ব্যাপী চলে হরিনাম সংকীর্তন আর মহা প্রসাদ বিতরণ মঙ্গলবার ভোর ৫টা মঙ্গল আরতী শেষে সকাল ১১ টায় রাধা রানীর স্নানের জন্য মন্দির আঙ্গিনা থেকে শতশত রাধাভক্ত হিন্দু নারীরা কলসী নিয়ে নৃত্য-গীত গেয়ে বর্নাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা মাধ্যমে ৭ পুকুর ঘাটের ১০৮ কলস  জল সংগ্রহ করা হয়যুগাবতার ভগবান শ্রী কৃষ্ণ সখী শ্রী রাধা অষ্টমী ব্রত উপলক্ষে বিভিন্ন মাঙ্গলিক অনুষ্ঠানে গৌরীপুরসহ আশপাশের উপজেলা থেকে শত শত রাধা ভক্ত  নারী-পুরুষ সারাদিন উপবাস করে তাতে অংশ গ্রহন করে। এ উপলক্ষে পুরোহিত পাড়াসহ  আশপাশের পুরো এলাকা এক বিশাল মিলন মেলায় পরিনত হয়ে উঠে। শ্রী শ্রী রাধা গোপিনাথ জিউর মন্দিরের প্রধান সেবক শ্রী অলক রঞ্জন উকিল জানিয়েছেন এ রাধা অষ্টমী ব্রত বৃহত্তর ময়মনসিংহের উত্তর জপদের মাঝে গৌরীপুর উপজেলায় একমাত্র অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।

গৌরীপুরে সাবেক স্বাস্থ্য উপ-মন্ত্রী নুরুল আমিন খান পাঠানের ১৪ তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত



কমল সরকার,গৌরীপুরঃ
ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার কৃতি সন্তান, উপজেলার প্রতিষ্ঠাতা জাপা নেতা ও বাংলাদেশ সরকারের সাবেক স্বাস্থ্য উপ-মন্ত্রী নুরুল আমিন খান পাঠান এমপির ( ৭ সেপ্টেম্বর) রোববার  বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে৪তম মৃত্যু বার্ষিকী পালন করা হয়েছে  উপলক্ষে মরহুমের একমাত্র ছেলে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজ সেবক,জেলা কৃষক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও গৌরীপুর উপজেলা কৃষক দলের আহবায়ক ফয়সাল আমিন খান ডায়মন্ড এবং তার  পরিবারবর্গের উদ্যোগে দুটি এতিমখানা ও মাদ্রাসার শিশুদের মাঝে খাদ্য বিতরণ, কোরআনখানি ও মিলাদ মাহফিলেন আযোজন করা হয়। এছাড়া  ম্রহুমের প্রতিষ্ঠিত খ্যাতিসম্পন্ন  শিক্ষা প্রতিষ্ঠানুরুল আমিন খান উচ্চ বিদ্যালয়সহ তার প্রতিষ্ঠা করে যাওয়া উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে পৃথক পৃথক ভাবে মরহুমের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান, কোনআন খানি, মিলাদ, দোয়া মাহফিল, দরিদ্র ভোজ, স্মৃতিচারন ও আলোচনা সভার আয়োজন করে। উলেস্নখ্য তৎকালীন সময়ের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নুরুল আমিন খান পাঠান প্রথমে জাতীয় পার্টি থেকে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হোন। পরবর্তীতে তিনি দু’বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য উপমন্ত্রীর দায়িত্ব পালণ করেন। এ সময়ে তিনি এলাকায় নুরুল আমিন খান উচ্চ বিদ্যালয়, ইসলামাবাদ সিনিয়র মাদ্রাসা, তালে হোসেন খান উচ্চ বিদ্যালয়, শহরবানু উচ্চ বিদ্যালয়, শহরবানু রেজিঃ মহিলা প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। তিনি পত্নি বিযোগের কিছুদিন পর  ২০০০ইং সালে’র ৭ সেপ্টেম্বর ভোররাতে ১ ছেলে ১ মেয়েসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে হৃদযন্ত্রের ক্রীয়া বন্ধ হয়ে উপজেলার ভালুকাস্থ নিজ বাসগৃহে মৃত্যুবরণ করেন।

বৃহস্পতিবার, ১৪ আগস্ট, ২০১৪

সাদা মনের মানুষ হতে চায় তানজু



কমল সরকার,গৌরীপুর ।।
ময়মনসিংহ গৌরীপুর মৎস্য বিভাগের ক্ষেত্র সহকারি মৃত আব্দুল কাদিরের কন্যা ও গৌরীপুর দৈনিক যুগান্তর প্রতিনিধি মোঃ রইছ উদ্দিন পত্নির ছোটবোন সুমাইয়া আফরিন তানজু সৈয়দ নজরুল ইসলাম কলেজ থেকে এবার এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে মেধার স্বাক্ষর রেখেছে।  তানজুর মা মমতাজ বেগম একজন আদর্শ গৃহিনী। তানজু সাদা মনের মানুষ হতে চায়। সে এসএসসিতে সোহাগী ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে জিপিএ-৫, ৮ম শ্রেণিতে বৃত্তি ও ৫ম শ্রেণিতেও বৃত্তি লাভ করে। তার বাড়ি ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার সোহাগী ইউনিয়নের হাটুলিয়া রঙিনচর গ্রামে। তানজু সকলের দোয়া প্রত্যাশী।