বুধবার, ১১ জুন, ২০১৪

গৌরীপুরে ছাত্রলীগের সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রলীগের হামলায় আহত-৬



কমল সরকার,গৌরীপুর  ।।
ময়মনসিংহের গৌরীপুর প্রেস ক্লাবে (১১ জুন) বুধবার বিকালে উপজেলা ছাত্রলীগের সংবাদ সম্মেলন শেষে ছাত্রলীগের অপর একটি গ্রুপ সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে ছাত্রলীগ নেতা জনিকে কুপিয়ে আহত করেছে। এ সময় ধাক্কাধাক্কি ও দৌড়াদৌড়িতে আরো ৫ ছাত্রনেতা আহত হয়। ঘটনার দিন উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ইকরাম হোসেন খান মামুন ও সাধারন সম্পাদক মোফাজ্জাল হোসেন খান  গৌরীপুর প্রেস ক্লাবে বিকাল ৫ টায় এক সংবাদ সম্মেলনে মিলিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়েছে ৩১ মে অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলনের পর থেকে কতিপয় ছাত্রলীগ নামধারী ব্যক্তি নিজেদেরকে গৌরীপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি/সাধারন সম্পাদক হিসেবে পরিচয় দিচ্ছে। বিষয়টি তাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। তাদের দাবী বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ময়মনসিংহ জেলার পূর্বতন কমিটি কিংবা বর্তমান কমিটির নেতৃবৃন্দ লিখিত ভাবে অথবা প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে অদ্যাবধি উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্তি ঘোষনা করেন নি। এক্ষেত্রে স্থানীয় কতিপয় ছাত্রলীগ নামধারী ব্যক্তিরা নিজেদের হীন স্বার্থ চরিত্রার্থ করার মানসে নিজেদেরকে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক দাবী করে আসছে। সংবাদ সন্মেলনের মাধ্যমে এ ব্যাপারে সর্বমহলকে সতর্ক ও সজাগ থাকার আহবান জানানো হয়। লিখিত বক্তব্যে ছাত্রবৃন্দ আরো উল্লেখ করেছে যে ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্র অনুসারে সম্মেলন আহবান ছাড়া ছাত্রলীগের নতুন পূর্নাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করার অধিকার কারো নেই। ছাত্রলীগের পূর্নাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করতে হলে জেলা ছাত্রলীগকে অবশ্যই উপজেলা ছাত্রলীগের বিষয় নির্ধারনী সভা আহবান করে পূর্বতন কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে নতুন কমিটি ঘোষণা করতে হবে। যেহেতু গৌরীপুর উপজেলা ছাত্রলীগের কোন বিষয় নির্ধারনী সভা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি/সাধারন সম্পাদকের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হয়নি সেহেতু গৌরীপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি/সাধারন সম্পাদক হিসেবে কারো নাম ঘোষণা হতে পারে না। তারা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায় ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ সংবাদ  সম্মেলন শেষ করে প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গনে  যখন ফটোসেশন করছিল এ সময়  স্থানীয় ছাত্রলীগের একটি  গ্রুপ অতর্কিতে তাদের উপর সশস্ত্র হামলা চালায়। হামলায় স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতা ইমতিয়াজ সুলতান জনি গুরুতর আহতসহ দৌড়াদৌড়ি করে আরো ৫ জন ছাত্রনেতা  আহত হয়েছে এ ব্যাপারে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ইকরাম হোসেন খান মামুন ও সাধারন সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন খান শান্তিপূর্ন সংবাদ সম্মেলনে এ ন্যাক্কারজনক হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে  ঘটনার সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবী জানিয়েছে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন